মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসিকে গাজার যুদ্ধ-পরবর্তী রূপান্তর তদারকির জন্য তার প্রস্তাবিত “শান্তি বোর্ডে” যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আঙ্কারা ও কায়রোর কর্তৃপক্ষ এই আমন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এরদোয়ান শুক্রবার আমন্ত্রণ পান এবং মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কায়রো একই ধরনের প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে। এই বোর্ডটি ট্রাম্পের পরিকল্পনার অংশ, যা ইসরায়েলের গাজায় যুদ্ধের অবসান ও অস্থায়ী প্রশাসন তদারকির উদ্দেশ্যে গঠিত হবে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প নিজেই “প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী বোর্ডের” নেতৃত্ব দেবেন, যেখানে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার থাকবেন। অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গা এবং জাতিসংঘের দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ, যিনি গাজার উচ্চ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন। নভেম্বর মাসে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এই বোর্ড ও আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী অনুমোদন করে।
মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা এই পরিকল্পনাকে ঔপনিবেশিক কাঠামোর অনুরূপ বলে সমালোচনা করেছেন, আর গাজার ফিলিস্তিনিরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে বোর্ডের সদস্যরা ন্যায়বিচার ও পুনর্গঠনের চেয়ে নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দিতে পারেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বোর্ডের গঠন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।