বাংলাদেশের চলনবিলে নির্বিচারে শামুক নিধনের ফলে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে। বর্ষার পানি কমে যাওয়ায় কর্মহীন কৃষক ও জেলেরা জীবিকার তাগিদে শামুক সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন, যা হাঁস ও মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। শুধুমাত্র বিলশা পয়েন্টেই প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার টাকার শামুক কেনাবেচা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শামুক পানির ক্ষুদ্র জীব খেয়ে জলাশয় পরিষ্কার রাখে এবং মাটির উর্বরতা বজায় রাখে। নির্বিচারে নিধনের ফলে পানি দূষণ, মাছের উৎপাদন হ্রাস ও মাটির ক্যালসিয়াম ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জীববৈচিত্র্য রক্ষা আন্দোলনের কর্মীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। কৃষি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, শামুক নিধন অব্যাহত থাকলে ফসল উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।