দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশ্লেষক মাইকেল কুগেলম্যান বলেছেন, বাংলাদেশে যদি ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হয়, তবে রাজপথে বিক্ষোভ এবং অস্থিরতা দেখা দেওয়ার বড় সম্ভাবনা রয়েছে। ব্রিফে তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন পরবর্তী নির্বাচনের একটি আনুষ্ঠানিক সময়সূচি প্রকাশ করেছে। ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি স্বস্তির বিষয় হবে। তাদের অধিকাংশই নির্বাচনী পরিকল্পনা সঠিক পথে এগোচ্ছে, এমনটি দেখতে আগ্রহী।' আরো লেখেন, ‘বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার গত মাসে এক বছর পূর্ণ করেছে। অর্থনৈতিক চাপ ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে চ্যালেঞ্জের কারণে এই সরকারের প্রতি মানুষের অধৈর্য বেড়ে গেছে।’ তিনি জানান, বাংলাদেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মধ্যে নির্বাচন বিলম্বিত করার আগ্রহ থাকতে পারে। এদের মধ্যে গণঅভ্যুত্থানের ছাত্রনেতাদের নেতৃত্বে গঠিত নতুন একটি রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু সদস্য রয়েছেন। তবে সেনাবাহিনী, প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন নির্বাচন করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'