Web Analytics

বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, পিআর ও সংসদের আসনভিত্তিক পদ্ধতি, দুই পদ্ধতিরই ভালো-খারাপ দিক আছে। ফলে বিবেচনা করেই নিম্নকক্ষে আসনভিত্তিক পদ্ধতি ও উচ্চপক্ষে পিআর পদ্ধতির সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আংশিক বক্তব্য চালিয়ে আমার সম্মানহানির চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিম্নকক্ষে পিআর প্রস্তাব না রাখার ক্ষেত্রে সরকারের স্থিতিশীলতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। নিম্নকক্ষে আসনভিত্তিক পদ্ধতিতে প্রত্যেক ভোটারদের জন্য একজন সংসদ সদস্য থাকছে। ভোটাররা সংসদ সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারবেন। এদিকে, উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতি চায় ঐকমত্য কমিশন। এক্ষেত্রে প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের ১০০ সদস্যের আসন বন্টনের প্রস্তাব রয়েছে। আরো বলেছেন, উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নিম্নকক্ষে পিআর হলে ভোটের ব্যবধান কম হলেও তা অস্বাভাবিক ফলাফল সৃষ্টি হতে পারে। বদিউল বলেন, ২০০১ এর নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল না বললেই চলে। কিন্তু আসনের ব্যবধান বিরাট ছিল। আবার ২০০৮ সালে বিএনপি আর আওয়ামী লীগের ভোটের ব্যবধান ছিল বিরাট। অর্থাৎ একটির সাথে আরেকটি সঙ্গতিপূর্ণ নয়। পিআর পদ্ধতির ভালো মন্দ বিবেচনা করে জাতীয় স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে সহযোগিতা করতে হবে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!