Web Analytics

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নির্বাচনের আগে তীব্র সংকটে পড়েছে। ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনা ২০২৪ সালে ছাত্র ও তরুণদের নেতৃত্বে হওয়া বিক্ষোভে ক্ষমতাচ্যুত হন এবং ভারতে আশ্রয় নেন। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে চাইলেও ভারত তা প্রত্যাখ্যান করে। এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের জনগণ ক্ষুব্ধ হয় এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়ে। পরবর্তীতে উভয় দেশই ভিসা ইস্যু বন্ধ করে দেয় এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নিয়ে পারস্পরিক অভিযোগ তোলে।

সংঘাতটি এখন খেলার মাঠেও ছড়িয়ে পড়েছে। ভারতের ডানপন্থি গোষ্ঠীগুলোর বিক্ষোভের পর এক বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়। এর জবাবে বাংলাদেশ ঘোষণা দেয়, তারা ভারতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশ নেবে না এবং ম্যাচগুলো অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানায়। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এই উত্তেজনার মূল কারণ। ভারতের লক্ষ্য আঞ্চলিক প্রভাব বজায় রাখা, আর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী নেতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জনমত ও কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাব রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে। ভারত বিএনপির সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, পারস্পরিক অবিশ্বাস ও জাতীয়তাবাদী মনোভাবের কারণে সম্পর্কের টানাপোড়েন শিগগিরই কাটবে না।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!