গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে বুধবার হোয়াইট হাউজে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন। দ্য গার্ডিয়ানের তথ্যমতে, বৈঠকটি এক ঘণ্টারও কম সময় স্থায়ী হয়। ডেনিশ কর্মকর্তারা বৈঠককে ইতিবাচক বলে বর্ণনা করলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোক্কে রাসমুসেন স্বীকার করেন, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের অবস্থান এখনও এক নয়।
রাসমুসেন জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন, তবে ডেনমার্কের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন এবং সমঝোতার সম্ভাবনা অনিশ্চিত। গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান মোটজফেল্ড বলেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে নয়, বরং মিত্র হিসেবে সহযোগিতা বাড়াতে চান। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীও বলেন, গ্রিনল্যান্ড দখল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজনীয় নয় এবং রাশিয়া বা চীনের তাৎক্ষণিক হুমকি নেই। বৈঠকের আগে ট্রাম্প দাবি করেন, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকলে নেটো আরও শক্তিশালী হবে।
ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরোধিতা করে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। ডেনমার্ক ২০২৬ সালে আর্কটিক অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে জার্মানি, ফ্রান্স, সুইডেন ও নরওয়ে অংশ নেবে। সুইডেন ইতিমধ্যে ডেনমার্কের ‘অপারেশন আর্কটিক এনডিওরেন্স’ মহড়ার অংশ হিসেবে সৈন্য পাঠানো শুরু করেছে।