রাজধানীর তেজতুরী বাজারে বিএনপি স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে ঘটেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম শুটার মো. রহিমকে ২৩ জানুয়ারি নরসিংদীর মাধবদী এলাকা থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলিসহ আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।
গত ৭ জানুয়ারি রাতে পশ্চিম তেজতুরী পাড়ার হোটেল সুপার স্টারের গলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মুছাব্বির নিহত হন। নিহতের স্ত্রী তেজগাঁও থানায় অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ডিবির অভিযান জোরদার করা হয়েছে। শুক্রবার যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও দুইজনকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি জানিয়েছে, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান ও পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।