ফেনী-৩ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়নপত্রের বৈধতা নিয়ে দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগের কোনো প্রমাণপত্র জমা না দিয়েও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। রোববার যাচাই-বাছাইয়ের সময়সূচি দুই দফা পিছিয়ে দেওয়ায় প্রার্থিতা বাতিলের গুঞ্জন বাড়লেও শেষ পর্যন্ত বৈধ ঘোষণায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন, অন্যদিকে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেন।
যাচাই-বাছাইয়ের সময় জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুর রহিম মিন্টুর দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। জবাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক জানান, মিন্টু হলফনামায় উল্লেখ করেছেন যে তিনি মার্কিন দূতাবাসে নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করেছেন এবং ইমেইল কনভারসেশন ও দুটি ফর্ম জমা দিয়েছেন। তিনি বলেন, পিপির পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কেউ চাইলে আপিল করতে পারেন।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আইন বিশেষজ্ঞরা সংবিধানের ধারা অনুযায়ী বিদেশি নাগরিকত্বধারীদের অযোগ্যতা স্মরণ করিয়ে দিয়ে নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রমাণ যাচাইয়ে কঠোরতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।