ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরাক থেকে মার্কিন ও অন্যান্য বিদেশি সেনা প্রত্যাহারকে স্বাগত জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে তেহরান এটিকে ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা সুসংহত করার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে ইরাকের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান জানানোর ওপর জোর দিয়েছে ইরান।
তেহরান বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক উপস্থিতি সহিংসতা, অনিরাপত্তা, বিভাজন ও সন্ত্রাসবাদ ছাড়া আর কিছুই বয়ে আনেনি। ইরানের দাবি, গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার অভিযোগে ইরাকে মার্কিন হামলার পর দুই দশকেরও বেশি সামরিক উপস্থিতিতে ব্যাপক প্রাণহানি, অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি, পরিবেশ বিপর্যয় ও যুদ্ধাপরাধের ঘটনা ঘটেছে।
ইরানের মতে, এই পরিস্থিতি পরবর্তীতে ইরাক ও আশপাশের অঞ্চলে আইএসসহ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর উত্থানের পথ তৈরি করে। বিবৃতিতে ইরাকের দখলদারিত্ব ও সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে নিহতদের স্মরণ করা হয়। পাশাপাশি, উল্লেখিত কর্মকাণ্ডের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে তেহরান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।