Web Analytics

রাষ্ট্রপতি ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন, যেখানে গুমের দায়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ১ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে গেজেট প্রকাশ করা হয়। অধ্যাদেশ অনুযায়ী জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে এবং এই অপরাধ জামিন ও আপস অযোগ্য হিসেবে গণ্য হবে। কোনো সরকারি কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য যদি কাউকে আটক বা অপহরণের পর তার অবস্থান গোপন রাখেন, তবে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। গুমের ফলে মৃত্যু হলে বা পাঁচ বছর পরও নিখোঁজ থাকলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। প্রমাণ নষ্ট করা বা গোপন আটককেন্দ্র পরিচালনার জন্য সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা কমান্ডারদের অবহেলা বা নির্দেশে গুমের ঘটনা ঘটলে তারাও একই দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। অভিযুক্ত পলাতক থাকলেও অনুপস্থিতিতে বিচার সম্পন্ন করা যাবে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!