Web Analytics

ডিজিটাল অধিকারকর্মীরা সতর্ক করেছেন যে ইরান সরকার দেশটিকে স্থায়ীভাবে বৈশ্বিক ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন করার পথে অগ্রসর হচ্ছে। ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেবল সরকার অনুমোদিত একটি সীমিত গোষ্ঠী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কে সীমিত প্রবেশাধিকার পাবে, আর সাধারণ নাগরিকদের জন্য চালু থাকবে সম্পূর্ণ দেশীয় ‘জাতীয় ইন্টারনেট’। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানিয়েছেন, এটি মূলত সরকার নিয়ন্ত্রিত সমান্তরাল নেটওয়ার্ক, যেখানে কেবল অনুমোদিত সার্চ ইঞ্জিন, মেসেজিং অ্যাপ ও স্ট্রিমিং সেবা থাকবে।

অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, এই নজরদারি ও সেন্সরশিপ অবকাঠামো তৈরিতে চীনা প্রযুক্তি ও হুয়াওয়ের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ইন্টারনেট ট্রাফিক পর্যবেক্ষণ ও ব্লক করতে সক্ষম। ৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরানের ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ২০০ ঘণ্টারও বেশি স্থায়ী হয়ে ইতিহাসের দীর্ঘতমগুলোর একটি হয়েছে। সরকারি মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি ইঙ্গিত দিয়েছেন, নওরোজ উৎসব পর্যন্ত এই অবস্থা চলতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ হঠাৎ নয়, বরং ২০০৯ সালের বিক্ষোভের পর থেকে গড়ে ওঠা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ফল। ২০২৫ সালের এক আইনে স্টারলিংক টার্মিনাল রাখা মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, এবং রুশ ও চীনা প্রযুক্তির জ্যামার দিয়ে সিগন্যাল বাধাগ্রস্তের চেষ্টা চলছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!