সোমবার কুয়েট শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় পাঁচ দফা দাবিসহ সাত দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে দোষী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকেও বিরত থাকবে শিক্ষক সমিতি। দুই দিন ধরে চলছে শিক্ষক সমিতির ক্লাস বর্জন। তারা বলছেন, ১৮ ফেব্রুয়ারির পর শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সাইবারবুলিং, সামাজিক ও মানসিক অবমাননার তদন্তপূর্বক সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে, পাঁচ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুয়েটবিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত সবাইকে শনাক্ত করা ও আইনের আওতায় নিতে হবে। বিকালে শিক্ষার্থীদের ক্ষমা চাওয়ার বিষয় নিয়ে কুয়েটের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য সব শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করেন। তবে কোনো সুরাহা হয়নি।