গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট, লোকসান এবং আর্থিক চাপের কারণে বগুড়ার পাটকলগুলো বন্ধের মুখে পড়েছে। জেলায় ১৭টি পাটকল থাকলেও বর্তমানে ১৩টির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে এবং বাকি চারটি ধীরগতিতে চলছে। আদমজী পাটকল বন্ধ হওয়ার পর স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এর পরিত্যক্ত যন্ত্রপাতি কিনে, পাশাপাশি ভারত ও চীন থেকে তাঁত এনে এসব কারখানা গড়ে তোলেন।
পাটকল মালিক ও শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় এসব কারখানায় প্রায় ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান ছিল, যাদের অর্ধেক নারী। পুরুষ শ্রমিকদের অনেকে এখন অটোরিকশা চালাচ্ছেন; ফলে নারী শ্রমিকরাই প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছেন। শ্রমিক সংকট, ব্যাংক ঋণ না পাওয়া এবং অর্থনৈতিক সমস্যায় কারখানা চালু রাখা কঠিন হচ্ছে।
গত এক মাসে প্রতি মণ কাঁচা পাটের দাম ৩,৬০০ টাকা থেকে ৪,৬০০ টাকায় উঠলেও বস্তার দাম বাড়েনি। ১,১০০ গ্রাম ওজনের একটি বস্তা ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শ্রমিকরা আট ঘণ্টা কাজ করে দৈনিক ২২০ থেকে ২৫০ টাকা পান। চলতি বছর ভারত বাংলাদেশি পাটজাত পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় সংকট আরও বেড়েছে বলে জানা গেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।