কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর পানি বেড়ে রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এবং ২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। অধিকাংশ রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে; ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নৌকা ও ডিঙিতে চলাচল করছে। অনেক বাড়িতে পানি ঢুকেছে এবং কিছু পরিবারকে নৌকায় নিরাপদ উঁচু এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, ইউনিয়নের ১৯ গ্রামের ১৭টিই বন্যাকবলিত এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি। রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মণ্ডল বলেন, তাঁর ইউনিয়নে প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি। কৃষি অফিসের হিসাবে, দুই ইউনিয়নের প্রায় ৩৫০ হেক্টর ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে; আমন ধান, কলা ও মরিচসহ বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৯টায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মার পানির উচ্চতা ছিল ১৩ দশমিক ০২ মিটার, যা ১৩ দশমিক ৮০ মিটার বিপৎসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার নিচে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলেছে, উজানের ঢল ও অতিরিক্ত বৃষ্টিই পানি বৃদ্ধির প্রধান কারণ এবং ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পানি বাড়তে পারে। ৯ সেপ্টেম্বর ৭০টি পরিবারকে শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে; ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সহায়তা দেওয়ার কাজ চলমান রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।