মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, ইরান সরকার যদি চলমান বিক্ষোভের কারণে আটক বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি কার্যকর করতে শুরু করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেবে। তবে তিনি কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা বিস্তারিতভাবে জানাননি। মঙ্গলবার দেওয়া এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তাকে সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে, বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্যমতে, দমন-পীড়নের মুখে চলমান বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ইরানের ধর্মীয় নেতৃত্বের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। জাতিসংঘে ইরানের মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের এই ধরনের কৌশল অতীতেও ব্যর্থ হয়েছে এবং এবারও সফল হবে না।
ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, ধারাবাহিক গণবিক্ষোভের পর তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে, নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে এবং পাঁচ দিনেরও বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট বন্ধ রেখে দমন-পীড়নের প্রকৃত চিত্র আড়াল করা হচ্ছে।