ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা অধীন সংস্থাগুলোর ওপর প্রভাব খাটিয়ে তাদের অর্থে বিদেশ সফরের সুযোগ নিচ্ছেন—এমন অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে। মন্ত্রণালয়ের বাজেট ছাড়াই এসব সফর পরিচালিত হওয়ায় প্রশাসন ও নীতিনির্ধারক মহলে আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে আজারবাইজান ও জার্মানি সফরে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ এবং বিটিআরসির অর্থে ব্যয় নির্বাহের ঘটনায় সমালোচনা তীব্র হয়েছে।
দলিল অনুযায়ী, আজারবাইজান সফরে দুই কর্মকর্তা প্রত্যেকে প্রায় ৩,৮১৬ মার্কিন ডলার পেয়েছেন, যা বিটিআরসির ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বৈদেশিক ব্যয় খাত থেকে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, প্রশাসন শাখার এক যুগ্ম সচিবের জার্মানিতে কারিগরি যন্ত্র পরীক্ষা সফরে অংশ নেওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংস্থার কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, মন্ত্রণালয়ের চাপেই সফর মনোনয়ন নির্ধারিত হয়, ফলে সংস্থাগুলো কার্যত নির্ভরশীল অবস্থায় পড়েছে।
মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির কর্মকর্তারা এসব সফরকে জ্ঞান বিনিময় ও চুক্তিগত দায়িত্ব হিসেবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তবে সমালোচকরা বলছেন, এসব কার্যক্রম সরকারি পরিপত্রে দেওয়া বিদেশ ভ্রমণ সীমিত রাখার নির্দেশনার পরিপন্থী, যা নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।