Web Analytics

সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর সংঘাত ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর দাবি, সহিংসতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরএসএফের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ব্রিটেনের অস্ত্র বিক্রিও বেড়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, আরএসএফের ব্যবহৃত সাঁজোয়া যানগুলোতে ব্রিটিশ তৈরি ইঞ্জিন পাওয়া গেছে। যদিও যুক্তরাজ্য সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং আমিরাতের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো সমালোচনা করেনি।

সুদানি উপসেনাপ্রধান ইয়াসের আল-আত্তা আরএসএফকে জাতিগত নির্মূল অভিযানের দায়ে অভিযুক্ত করে বলেছেন, বিশ্ব নীরব রয়েছে আমিরাতের আর্থিক প্রভাবের কারণে। জাতিসংঘ ইতিমধ্যে সুদানকে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যেখানে দেড় লাখের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ব্রিটেনের বাণিজ্যিক স্বার্থ ও আমিরাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এই নীরবতার পেছনে বড় কারণ।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, অস্ত্র সরবরাহ ও কূটনৈতিক নিষ্ক্রিয়তা অব্যাহত থাকলে সুদানের প্রক্সি যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হবে এবং বেসামরিক জনগণের দুর্ভোগ বাড়বে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!