Web Analytics

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ভারত যদি বাংলাদেশের সঙ্গে টেকসই সম্পর্ক গড়তে চায়, তবে তাকে কৌশলগত আধিপত্যের নীতি পরিত্যাগ করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন নয়াদিল্লির জন্য এই সম্পর্ক পুনর্নির্মাণের একটি বাস্তব সুযোগ এনে দিয়েছে। লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে, শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারতের অতিরিক্ত সমর্থন বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে এবং ভারতকে অংশীদার নয়, বরং হস্তক্ষেপকারী শক্তি হিসেবে দেখা হয়েছে।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ভুটান-ধাঁচের সীমিত স্বায়ত্তশাসনের মডেল বাংলাদেশের মতো বৃহৎ ও বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত দেশের ক্ষেত্রে কার্যকর নয়। ভারতকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ না করে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিতে হবে এবং ভারতের মাটি থেকে নির্বাসিত আওয়ামী লীগ নেতাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

লেখাটি উপসংহারে বলেছে, আসিয়ান-ধাঁচের অ-হস্তক্ষেপ নীতি গ্রহণই দুই দেশের আস্থার পুনর্গঠনের পথ খুলে দিতে পারে। তিস্তা নদীর পানিবণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যুগুলোতে ভারতের আন্তরিকতা এই নতুন সম্পর্কের পরীক্ষার ক্ষেত্র হবে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!