Web Analytics

অর্থনৈতিক সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজার থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে ৩১ প্রদেশের মধ্যে ২২টিতে। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা এই বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিয়েছে, যেখানে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উদ্ধারে পদক্ষেপ নেবে।

ট্রাম্পের এই মন্তব্যে তেহরান তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাগচি এক্সে পোস্টে একে ‘বেপরোয়া ও ভয়াবহ’ বলে আখ্যা দেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করলে ‘ত্বরিত ও চূড়ান্ত’ জবাব দেওয়া হবে। বিবৃতিতে ট্রাম্পের বক্তব্যকে জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের অতীত কর্মকাণ্ডের উদাহরণ তুলে ধরা হয়।

জাতিসংঘে ইরানের দূত আমির সাইদ ইরাভানি মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসকে চিঠি দিয়ে ট্রাম্পের ‘বেআইনি হুমকি’ নিন্দা করার আহ্বান জানান এবং বলেন, এ ধরনের হুমকির ফলে সৃষ্ট যেকোনো উত্তেজনার দায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বর্তাবে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!