Web Analytics

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ওঠানামা করা সম্পর্কের পর আফ্রিকায় নিজের অর্থনৈতিক অবস্থান ধরে রাখতে লড়াই করছে যুক্তরাষ্ট্র। তুরস্কের আঙ্কারার হাচি বায়রাম ভেলি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ইউনুস তুরহান জানান, মার্কিন আদমশুমারি ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ২০১৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও আফ্রিকার বাণিজ্যে বড় ওঠানামা হয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৩৪ বিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ৩৭.৮ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৭.৩৭ ট্রিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে আফ্রিকার অংশ মাত্র ১.১ শতাংশ।

তুরহান বলেন, ২০০০ সালে চালু হওয়া আফ্রিকান গ্রোথ অ্যান্ড অপরচুনিটি অ্যাক্ট (এজিওএ) আফ্রিকার সঙ্গে বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৩২টি আফ্রিকান দেশ ১,৮০০টিরও বেশি পণ্য শুল্কমুক্তভাবে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করতে পারে। ২০০২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এই কর্মসূচির আওতায় আফ্রিকায় মার্কিন রপ্তানি প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ এজিওএ আরও তিন বছরের জন্য বাড়িয়েছে।

তুরহানের মতে, আফ্রিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এখন চীন ও রাশিয়া। ২০২৫ সালে আফ্রিকার সঙ্গে চীনের বাণিজ্য দাঁড়িয়েছে ৩১৪ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৪ সালে রাশিয়ার বাণিজ্য ২৪.৫ বিলিয়ন ডলার। তিনি মনে করেন, আফ্রিকায় কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও উন্নয়ন লক্ষ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই যুক্তরাষ্ট্রের বড় চ্যালেঞ্জ।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!