Web Analytics

উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী লিখেছেন, ওসমানী বা জিয়াউর রহমানকে আমাদের ইন্টেলিজেন্সিয়া সেলিব্রেট করে না। তারাই অ‍্যাপারেন্টলি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে, কিন্তু মাঠে যুদ্ধ করল যারা, যুদ্ধের ঘোষণা দিলো যারা তাদেরকে আমাদের ইতিহাসের পাতা থেকে যতটা সম্ভব দূরে অথবা কম আলোকিত করে রাখা হয়েছে।’ তিনি লিখেছেন, আমাদের ইতিহাসের ওই ক্রিটিক্যাল প্রশ্নগুলো অ্যাড্রেস করা হয়নাই যে, যুদ্ধ চলাকালীন ওসমানীর বক্তব্য কী ছিল। ওনার কি কোনো বিষয়ে ভিন্নমত ছিল? ১৬ ডিসেম্বর তিনি কেন হাজির ছিলেন না? কেন ভারতীয় বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করানো হলো? সময় এসেছে এ রকম সব প্রশ্ন তোলার। আরও লেখেন, ‘সময় এসেছে পাকিস্তানিদের অত্যাচারের পাশাপাশি ৪৭ পূর্ববর্তী সময়ে ইতিহাসের বিভিন্ন বাঁকে বাংলাদেশের মানুষ যেসব অন্যায় অত্যাচারের মধ্যদিয়ে গেছে, সেসব নির্মোহভাবে তুলে ধরার। আমরা এই কাজটা শুরু করে যাবো। আমার বিশ্বাস পরবর্তী সরকার এসে কাজটা এগিয়ে নিয়ে যাবে। শুভ জন্মদিন, জেনারেল ওসমানী।’ ফারুকী লিখেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ওনার কিছু ফুটেজ আমার চোখে লেগে আছে। তবে একটা শট আমার চোখে আজীবন লেগে থাকবে। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ওনার কবরে দাঁড়িয়ে তার স‍্যালুট। আ রেয়ার মোমেন্ট অব লাভ অ্যান্ড রেসপেক্ট ফ্রম দ‍্য জেনারেল টু দ‍্য কমান্ডার।’

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!