Web Analytics

বড় মূলধনি, অবকাঠামোগত ও বহুজাতিক কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনতে আইপিও বিধিমালা সংশোধনের খসড়া প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। বিএসইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক অফার অব ইকুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস, ২০২৫’-এর সংশোধনী খসড়ায় সর্বসাধারণ ও অংশীজনদের মতামত চাওয়া হয়েছে। আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত লিখিত মতামত দেওয়া যাবে।

খসড়ায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি, টেলিকমিউনিকেশন, স্বাস্থ্যসেবা ও পানি সরবরাহসহ বড় প্রকল্পে যুক্ত প্রতিষ্ঠানকে ‘ক্যাপিটাল-ইন্টেনসিভ কোম্পানি’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ন্যূনতম ৫০০ কোটি টাকা মোট সম্পদ থাকা এসব কোম্পানি, রেগুলেটেড কোম্পানি ও গ্রিনফিল্ড কোম্পানিকে সর্বশেষ অর্থবছরে মুনাফায় থাকার শর্ত থেকে ছাড় দিতে পারবে বিএসইসি। তবে তালিকাভুক্তির দুই বছরের মধ্যে মুনাফায় আসার কর্মপরিকল্পনা জমা দিতে হবে। প্রাক-আইপিও নিট সম্পদ ৫০০ কোটি টাকা বা বেশি হলে ন্যূনতম ৫ শতাংশ শেয়ার ছেড়ে আইপিওর অনুমোদন মিলতে পারে।

প্রস্তাবে হাইব্রিড মোডে নতুন শেয়ার ছাড়ার সঙ্গে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার অফলোডের সুযোগ রাখা হয়েছে। উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ সংরক্ষিত কোটা বাতিলের কথাও বলা হয়েছে। সাধারণ, প্রবাসী ও কর্মচারী বিনিয়োগকারীদের কোটা বাড়ানো, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের লক-ইন শিথিল, প্রি-আইপিও নিরপেক্ষ অডিট এবং বুয়েট পরীক্ষিত স্বয়ংক্রিয় লটারি অ্যালগরিদমের বিধানও যুক্ত হয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।