Web Analytics

সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের দেশে প্রায় ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের খনিজ সম্পদ রয়েছে, যার মধ্যে ডিসপ্রোসিয়াম, টারবিয়াম, নিওডিমিয়াম ও প্রাসিওডিমিয়ামের মতো বিরল মাটির খনিজও অন্তর্ভুক্ত। রিয়াদে অনুষ্ঠিত ফিউচার মিনারেলস ফোরামে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। দেশটি তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খনিজ খাত সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে চায়। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন খনি কোম্পানি মাডেন জানিয়েছে, তারা আগামী এক দশকে ধাতু ও খনি খাতে ১১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সৌদি আরবের খনিজ অনুসন্ধান বাজেট ৫৯৫ শতাংশ বেড়েছে এবং নতুন খনির লাইসেন্স প্রদানের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, খনিজ উত্তোলন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যেখানে একটি প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যান্ট নির্মাণে তিন থেকে পাঁচ বছর বা তারও বেশি সময় লাগে। SAFE মিনারেলস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক অ্যাবিগেল হান্টার বলেন, চীন এই খাতে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক এগিয়ে।

ভিশন ২০৩০ পরিকল্পনায় সৌদি আরব খনিজ খাতকে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে দেখছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্রমবর্ধমান অবকাঠামো দেশটিকে আঞ্চলিক খনিজ প্রক্রিয়াজাতকরণের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!