Web Analytics

সম্প্রতি ময়মনসিংহের ভালুকায় হিন্দু যুবক দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের পর ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্য নিয়ে তীব্র সমালোচনা উঠে এসেছে। লেখক উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাজা আগ্রাসনের উদাহরণ টেনে বাংলাদেশকে ‘সবক শেখানোর’ হুমকি দেওয়া কূটনৈতিক শালীনতা ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে অভিহিত করা হয়েছে।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও সামরিক ভাষায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন, যা প্রতিবেশী সম্পর্ককে সংলাপের বদলে শক্তির মাপকাঠিতে বিচার করার ইঙ্গিত দেয়। লেখকের মতে, এই উগ্র বক্তব্য ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক চরিত্রকে দুর্বল করছে এবং সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা উসকে দিচ্ছে। ভারতের রাষ্ট্রীয় নীরবতা এই সংকটকে আরও গভীর করছে।

প্রবন্ধটি সতর্ক করেছে যে, এমন আগ্রাসী ভাষা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করতে পারে এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে সংলাপের আহ্বান জানানো হয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!