লন্ডনের ইস্ট লন্ডনে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়েছে, কারণ প্রবাসীরা প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার পেয়েছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অপসারণের পর নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী প্রশাসন ক্ষমতায় আসে এবং আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশ নিতে নিষিদ্ধ করে। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী-ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি জোট প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে। দীর্ঘদিন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত প্রবাসীদের জন্য এই নির্বাচন আবেগপূর্ণ ও প্রতীকী গুরুত্ব বহন করছে।
তবে অংশগ্রহণ সীমিত রয়ে গেছে। যুক্তরাজ্যে মাত্র প্রায় ৩২ হাজার বাংলাদেশি নাগরিক ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত, যেখানে উপসাগরীয় দেশগুলোতে অংশগ্রহণ অনেক বেশি। জটিল নিবন্ধন প্রক্রিয়া, সচেতনতার অভাব ও প্রযুক্তিগত বাধা অনেককে, বিশেষ করে বয়স্ক ভোটারদের, নিরুৎসাহিত করেছে। তরুণ ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা প্রায়ই বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে দূরে থাকেন এবং যুক্তরাজ্যের জীবনের প্রতি বেশি মনোযোগ দেন। কেউ কেউ পরিবর্তনের আশায় ভোট দিচ্ছেন, আবার কেউ আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞার কারণে নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
এই মিশ্র প্রতিক্রিয়া প্রবাসীদের বাংলাদেশের প্রতি টান ও ব্রিটেনে গড়ে ওঠা নতুন পরিচয়ের প্রতিফলন।