পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, আন্তঃসীমান্ত নদীর পানিবণ্টন সংক্রান্ত বিদ্যমান চুক্তি ও সমঝোতাগুলো পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ সরকার। রোববার জাতীয় সংসদে তিনি বলেন, আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকার বদ্ধপরিকর এবং বিষয়টি নির্বাচনি ইশতেহারেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে যৌথ নদী কমিশনকে শক্তিশালী করা এবং ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীনের সঙ্গে সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী স্বীকার করেন, উজানের দেশগুলোতে অবকাঠামো নির্মাণের কারণে শুকনো মৌসুমে বাংলাদেশের পানিপ্রবাহ হ্রাস পাচ্ছে। প্রাকৃতিক ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেও উজানে পানির লভ্যতা কমছে। সংসদে প্রশ্নোত্তরে তিনি জানান, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জুন পর্যন্ত ৩৬৬ কিলোমিটার খাল খনন বা পুনঃখনন করা হবে এবং পাঁচ বছরে ৯ হাজার ৪৬ কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প জাতীয় স্বার্থ, কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।