চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু সোমবার দিবাগত রাত ১২টার পর সেনাবাহিনীর হেফাজতে মারা যান। তার মরদেহ জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয় এবং পরে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, রাত ১০টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে তার ফার্মেসি থেকে সেনা সদস্যরা তাকে নিয়ে যায় এবং রাত ১টার দিকে তার মৃত্যুর খবর আসে।
ঘটনার পর বিএনপি নেতাকর্মীরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জড়ো হয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১টা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে রাখেন। নিহতের ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল অভিযোগ করেন, তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে এবং তিনি বিচার দাবি করেন। ছাত্রদল নেতা রিমন জানান, শনিবার রাতে সেনা সদস্যরা তাদের চার ভাইকে মারধর করেন। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কেউ ক্যামেরার সামনে কথা বলেননি, তবে তারা দাবি করেন ডাবলুর কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। জেলা বিএনপি সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু ঘটনাস্থলে গিয়ে জানান, তারা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
বিএনপি নেতারা জানান, এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। জীবননগর থানার ওসি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত জানাননি।