Web Analytics

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, যা ২০২৫ সালের সংসদ নির্বাচনের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক মেরুকরণ ও অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ‘স্থিতিশীলতার পরীক্ষা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ভোটারদের প্রধান উদ্বেগ জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থা, অভিবাসননীতি ও আবাসনসংকট। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, নতুন রাষ্ট্রপতি এসব নীতিগত ইস্যুতে নৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

সমাজতান্ত্রিক পার্টির সমর্থিত অ্যান্টোনিউ জোসে সেগুরু গণতন্ত্র ও সংবিধানের রক্ষক হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। কেন্দ্র ডান জোটের প্রার্থী লুইস মার্কেস মেন্দেস প্রথাগত ডানপন্থি রাজনীতির প্রতিনিধি এবং সরকারের সমর্থন পাচ্ছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী এনরিকি গুভেইয়া ই মেলু নিজেকে দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে ‘রাষ্ট্রনায়কসুলভ’ বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করছেন। বামপন্থি কাতারিনা মার্তিন্স সামাজিক সুরক্ষা ও আবাসন অধিকারকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন, আর কট্টর ডানপন্থি আন্দ্রে ভেনতুরা অভিবাসনবিরোধী বক্তব্যে সমর্থন বাড়াচ্ছেন।

টিভিআই–সিএনএন জরিপে দেখা গেছে, মেন্দেস সামান্য এগিয়ে আছেন, সেগুরু কাছাকাছি অবস্থানে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই ভোট পর্তুগালের বাম–ডান ভারসাম্য ও কট্টর ডান রাজনীতির ভবিষ্যৎ প্রভাব নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!