Web Analytics

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের পরামর্শদাতা সংস্থার মালিকের বাড়ি ও দফতরে ইডির তল্লাশির সময় মমতা ব্যানার্জি উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন এবং কিছু ফাইল ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র সরিয়ে নেন। পরে তিনি স্বীকার করেন যে দলের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নথি তিনি সরিয়ে এনেছেন।

কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করে এবং প্রয়োজনে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা রাখে। যদিও মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নেই, তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগকে সুপ্রিম কোর্ট গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেমন দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল, বিহারের লালু প্রসাদ যাদব, ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সরেন ও তামিলনাডুর প্রয়াত জয়ললিতা কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইডি ও সিবিআই—দুটি সংস্থারই আদালতে অপরাধ প্রমাণের হার কম এবং প্রায়ই অভিযোগ ওঠে যে কেন্দ্রীয় সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে এসব সংস্থাকে ব্যবহার করে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!