Web Analytics

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ক্ষমা পাবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত আদালত নেবে। এখানে প্রসিকিউশনের কোন ভূমিকা নেই। চীফ প্রসিকিউটর বলেন, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন নিজের বিবেকের তাড়নায় অপরাধ স্কীকার করেছেন। এমনকি নিজের পক্ষ থেকে রাজসাক্ষী হওয়ারও আবেদন করেছিলেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে তার ব্যাপারে আদালত কি সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটা নির্ধারিত হবে। আরও বলেন, সাবেক আইজিপি যেই সাক্ষ্য দিয়েছেন, বিশ্বের কোন আদালতেই এই সাক্ষ্যকে দূর্বল প্রমাণ করার সুযোগ নেই। এটি একটি অকাট্য অপ্রতিরোধ্য সাক্ষ্য। এটি শুধু জুলাই আগস্টের ঘটনা নয়, বাংলাদেশে গত ১৫ বছরে যত গুম খুন হয়েছে তার বিরুদ্ধে একটি অকাট্য দলিল হিসেবেও কাজ করবে। এর আগে, জুলাই হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন আল মামুন।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!