গণঅভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারত গেলেও রেখে যান দলের শীর্ষ নেতাকর্মীদেরকেও। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ওবায়দুল কাদের জানান, আমি বাংলাদেশেই ছিলাম তিন মাসের মতো। আমার একটা উদ্দেশ্য ছিল-ওখান থেকে কিছু করা যায় কিনা। বিভিন্ন জায়গায় শ্রমিক অসন্তোষ, কর্মচারীদের অসন্তোষ। ক্ষোভগুলো তখন রাস্তায় নেমে আসছিল। বিশেষ করে গার্মেন্টস। সে সময় ভাবলাম-এদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিছু করা যায় কিনা। কাদের বলেন, ‘এরপর একে একে সবাই অ্যারেস্ট হচ্ছি। আমি তো নেত্রীর পরের, তখনই ২১২টা খুনের মামলায় আমি আসামি হয়ে গেছি।' এরপর গ্রেফতারের ভয় দেশ ছেড়েছেন বলে জানান তিনি। আরো জানান, নিজ বাসভবন থেকে পাঁচ আগস্ট আশ্রয় নিয়েছিলেন পার্শবর্তী বাসার বাথরুমে। সেখানেও ছাত্রজনতা চলে যায়। প্রথম ক্ষোভ দেখালেও পরে সেলফি তুলে তাকে সেফ এক্সিট দেওয়া হয়!