Web Analytics

গুমসংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে গুম কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি সেনা ও নিরাপত্তা কাঠামোর ভেতরে পরিকল্পিত, সমন্বিত এবং দীর্ঘদিন ধরে চলমান একটি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা। মাঠ পর্যায়ের সেনাসদস্য থেকে শুরু করে অপারেশনাল ইউনিট, মধ্যম পর্যায়ের কমান্ডার, গোয়েন্দা নেতৃত্ব এবং সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের দায় এতে রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চোখ বেঁধে তুলে নেওয়া, অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া এবং আনুষ্ঠানিক গ্রেপ্তার ছাড়াই আটক রাখার কাজ মাঠ পর্যায়ের সদস্যরা করতেন, আর মধ্যম পর্যায়ের কমান্ডার ও গোয়েন্দা ইউনিটগুলো এই কার্যক্রম পরিচালনা ও সমন্বয় করত। ডিজিএফআই ও র‌্যাবসহ বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে পদ্ধতিগত মিল পাওয়া গেছে। কমিশন জানায়, আটক সেলগুলো কমান্ড অফিসের কাছেই ছিল, তাই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অজ্ঞতার দাবি গ্রহণযোগ্য নয়।

কমিশনের মতে, গুম ছিল রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার, জাতীয় নিরাপত্তার নয়। সেনা আইনে গুম অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত না থাকায় এটি দায় এড়ানোর কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!