বাংলাদেশের জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম পে-স্কেলের আওতায় ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব চূড়ান্ত করছে। প্রস্তাব অনুযায়ী বৈশাখী ভাতা মূল বেতনের বর্তমান ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হবে। সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং আগামী বুধবার প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তবে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার বোনাস আগের নিয়মেই বহাল থাকবে।
এ ছাড়া চিকিৎসা ভাতা বাড়ানোরও প্রস্তাব করা হচ্ছে। বর্তমানে ৩ হাজার ৫০০ টাকার পরিবর্তে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। বয়সভিত্তিক দুই ক্যাটাগরিতে ভাতা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে—৪০ বছর বা তার কম বয়সীদের জন্য মাসিক ৪ হাজার টাকা এবং ৪০ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ৫ হাজার টাকা। অবসরের পরও সরকারি চাকরিজীবীরা মাসিক ৫ হাজার টাকা চিকিৎসা ভাতা পাবেন।
অর্থ মন্ত্রণালয় ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে ১ লাখ ৬ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা বেশি। জানুয়ারি থেকে মূল বেতন বা ভাতার যেকোনো একটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।