Web Analytics

যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম বলেছেন, ভোটের অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে সংবিধানে যুক্ত করতে হবে। বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানে মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। যার কারণে গণপরিষদের দুইজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি। আরও বলেন, জনগণ দ্বারা নির্বাচিত একটা গণ পরিষদ কেবল সংবিধান প্রণয়ন করতে পারে। অথচ ১৯৭২ সালে গণপরিষদ গঠন করা হয়েছে ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান সরকারের অধীনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে। স্বাধীন দেশে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়নি। যার ফলে সংবিধান জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। যেই সংবিধান জনমানুষের মৌলিক চাহিদার কথা বলা হয় না, জনমানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয় না সেই সংবিধান আমরা চাই না। আওয়ামী লীগের ফিরে আসা আটকাতে নতুন সংবিধান লাগবে।’ তাছাড়া ৫৪ বছর ধরে সংবিধানে ‘মুক্তিযুদ্ধ’ শব্দটি স্থান পায়নি। এদিকে যুবশক্তির সদস্যসচিব ডা. জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘সংবিধানের একেকটা অঙ্গ প্রতঙ্গ কাটাছেঁড়া করে সংবিধানকে বিদঘুটে ও বিশ্রি করে ফেলা হয়েছে। এই সংবিধান ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলে আমাদের নতুন সংবিধান লিখতে হবে।'

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!