নোয়াখালীর ২৪৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় প্রান্তিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি সহকারী শিক্ষকদের চলমান কর্মবিরতির কারণে। তিন দফা দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের ফলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষকদের শোকজ নোটিশ দিয়েছে। নোটিশে বলা হয়, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষকরা পরীক্ষা না নেওয়া ও বিদ্যালয়ে তালা লাগানো সরকারি কর্মচারী আইন ও শৃঙ্খলা বিধিমালার লঙ্ঘন। তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে, অন্যথায় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ৫০ জনের বেশি শিক্ষককে ইতোমধ্যে অন্য জেলায় বদলি করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শামছুদ্দীন মাসুদও বদলির তালিকায় রয়েছেন। ২৭ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতি বর্তমানে অনির্দিষ্টকালের কমপ্লিট শাটডাউনে রূপ নিয়েছে, যা দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলেছে।