এনসিপি নেত্রী সামান্তা শারমিন বলেছেন, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে আদালতকে ব্যবহার করা হয়। আমাদের আদালতটা কোনোভাবে স্বাধীন না। দেখবেন যে, আমাদের যে প্রধান বিচারপতি থাকেন, তার ওপর একজনের হাত, একজনের কথা এটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।’ তিনি বলেন, ‘আমি যতদুর জানি ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। তাদের বিগত দিনের কর্মকাণ্ডসহ তাদেরকে যদি বিচার করেন, তাহলে দেখবেন যে ডাকসু নির্বাচনে সৈকতের যে আহ্বান সেটা যোগসাযোগ তাদের সঙ্গে আছে। আরও বলেন, ‘ডাকসু বাংলাদেশে নেতৃত্ব তৈরির সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত। ডাকসু নির্বাচন নির্ভর করে জাতীয় রাজনীতির ওপর। জাতীয় নির্বাচন নির্ভর করবে ডাকসু নির্বাচন কেমন হচ্ছে তার ওপর। আপনি দেখবেন যে ডাকসু নির্বাচনে কখন ক্ষমতাসীন প্যানেল জিততে পারেনি।’ আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি ডাকসু নির্বাচন বানচাল করা বা উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। বরং সব দল নির্বিশেষে ডাকসু নির্বাচন যাতে নির্বিঘ্নে হতে পারে, যারা জাতীয় নির্বাচন চাচ্ছেন, তাদের আরো বেশি প্রয়োজন ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জয়লাভ করা। তারাই যদি বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের মধ্যে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন, তবে সেটা তাদের রাজনৈতিক ভবিষতের জন্য একরকমের হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।’ এই নেত্রী বলেন, ‘সৈকত সাহেব বলেছেন, ডাকসু নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না, আমরা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাস দেখি সেখানে নানা সময় আওয়ামী লীগকে রেলগেট করার কাজটা যারা নিজেদের প্রগতিশীল দাবি করেন তাদের যোগসাযোগে হয়। যিনি এই রিট করেছেন, তার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড ও আইনজীবীর ব্যাকগ্রাউন্ড দেখেন।’