জাপানে রোববার অন্তর্বর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি দায়িত্ব নেওয়ার পরের সময়টিকে বড় ধরনের নির্বাচনি জয়ে রূপ দিতে চান। মতামত জরিপে দেখা গেছে, তার নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও তাদের জোটসঙ্গীরা ৪৬৫ আসনের মধ্যে প্রায় ৩১০টি আসন পেতে পারে, যা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করবে। এটি ২০১৭ সালের পর এলডিপির সেরা ফল হতে পারে। তবে এমন জয় চীনকে ক্ষুব্ধ করতে পারে এবং জাপানের আর্থিক বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গত অক্টোবরে এলডিপির নেতৃত্ব গ্রহণের পর তাকাইচি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে। তিনি অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন, যাতে সন্ত্রাসী বা গুপ্তচররা সহজে দেশে প্রবেশ করতে না পারে এবং বিদেশিরা কর ও স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম পরিশোধ করছেন কি না তা যাচাই করা হয়। অর্থনীতিতে তিনি ১৩৫ বিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন এবং খাদ্যপণ্যের ওপর ভোক্তা কর স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
জাপানের সরকারি ঋণ বর্তমানে দেশের মোট অর্থনীতির দ্বিগুণের বেশি, বন্ডের সুদের হার রেকর্ড উচ্চতায় এবং ইয়েনের মানে বড় ওঠানামা দেখা যাচ্ছে।