Web Analytics

উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেছেন, ৪৮ হাজার শ্রমিক ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ ও কারখানা কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মিথ্যা ও সাজানো মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই সরকার যদি শ্রমিকবান্ধব বা দরিদ্রবান্ধব না হয়, তবে আর কে হবে? তিনি জানান, আমি গত দেড় দশক ধরে বাংলাদেশের শ্রম ইস্যু, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসছি। অনেক কারখানায় শ্রমিকদের আধুনিক দাসের মতো ব্যবহার করা হয়েছে। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর পশ্চিমা সমর্থিত দুটি প্ল্যাটফর্ম—অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স—ব্র্যান্ড ও কারখানার মালিকদের ওপর আইনগত বাধ্যবাধকতা চাপিয়ে দিলে কারখানার নকশাগত কাঠামোতে উন্নতি আসে। কিন্তু এতে কর্মপরিবেশে তেমন পরিবর্তন আসেনি। অতি সামান্য মজুরি, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা এবং আইনগত সুবিধার অভাব শ্রমিকদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে। কারখানায় প্রকৃত ট্রেড ইউনিয়ন থাকলে শ্রমিকদের কিছুটা স্বস্তি আসতে পারতো। কিন্তু অনেক কারখানায় মালিকদের প্রভাবিত তথাকথিত পিসি কমিটি ইউনিয়নের জায়গা দখল করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, এটি একদিকে মালিকদের ক্রেতাদের কাছে কারখানাকে ‘কমপ্লায়েন্ট’ হিসেবে উপস্থাপন করতে সাহায্য করেছে, অন্যদিকে শ্রমিক শোষণের পথ খুলে দিয়েছে। ফলশ্রুতিতে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিও নির্মমভাবে দমন করা হয়েছে। হাজার হাজার শ্রমিককে বরখাস্ত করা হয়েছে, ভয়-ভীতি দেখানো হয়েছে এবং আইনগত হয়রানির শিকার করা হয়েছে। সরকার এসব প্রথার অবসান ও দেশের শ্রমখাত সংস্কারের উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!