Web Analytics

২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহ তদন্তে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের এক সাক্ষ্যে উঠে এসেছে, পিলখানার হত্যাকাণ্ডের পরদিন সিলেটের এসআইঅ্যান্ডটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে একদল জুনিয়র সেনা কর্মকর্তা অস্ত্রাগার ভাঙার চেষ্টা করেন। ডিজিএফআই কর্নেল নিয়ামুল ইসলাম ফাতেমী ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন শতাধিক কর্মকর্তা শাবল ও হাতুড়ি নিয়ে অস্ত্রাগারের দরজায় হামলা করছেন এবং তাকে ‘সরকারের দালাল’ বলে গালাগাল করছেন। সিনিয়র কর্মকর্তারা এগিয়ে এসে তাকে রক্ষা করেন। ৪৭ নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দিতে বলা হয়, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুন খালেদ কর্নেল ফাতেমীকে মেজর জেনারেল তারেক সিদ্দিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। তারেক সিদ্দিক জানান, সেনাপ্রধান আসবেন না, তবে লে. জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এসে কথা বলবেন। বিকেলে তিনি হেলিকপ্টারে এসে দুই ঘণ্টা আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করেন। ৫৭ সেনা কর্মকর্তার প্রাণহানিতে এই বিদ্রোহ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!