ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক শরিফ ওসমান হাদিকে ২০ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হয়। ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হওয়ার পর তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার খাসমহল এলাকার এই আলেম পরিবারের সন্তান ওসমান হাদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলেন এবং পরবর্তীতে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন। তার বাবা মাওলানা আবদুল হাদি ছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষক, আর ভাই-বোন ও আত্মীয়দের বেশিরভাগই ধর্মীয় শিক্ষা ও শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জানাজায় লাখো মানুষ অংশ নেন, জানাজা পরিচালনা করেন তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক।
হাদির হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। তদন্ত চলমান থাকলেও এই ঘটনা দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা ও কর্মী নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।