ইসরাইল দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন বাহিনীর মোতায়েন প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি গত আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত নির্দেশ দেননি, তবে সম্ভাব্য ইরানি পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ইসরাইল অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি শুরু করেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মার্কিন সামরিক শক্তিবৃদ্ধির অংশ হিসেবে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনসহ যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। ট্রাম্প পূর্বে নিশ্চিত করেছিলেন যে একটি ‘বিশাল নৌবহর’ ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইরানে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে তেহরানের কঠোর অবস্থানের পর থেকেই তিনি সামরিক অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন। মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত প্রায় চার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন এবং হাজারো মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছেন।
ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, যেকোনো মার্কিন হামলাকে তারা ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করবে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী কয়েক দিন মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।