আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার আওতায় ১০ অক্টোবর ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও গাজায় ইসরাইলি হামলা থামেনি। এই সময়ের মধ্যে প্রায় ৪০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শীতকালীন ঝড় ও বন্যায় শত শত অস্থায়ী শিবির তলিয়ে গেছে, আর ইসরাইলি বাহিনীর অবরোধে ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে গৃহহীন ফিলিস্তিনিরা ধ্বংসস্তূপ থেকে নতুন করে অস্থায়ী আশ্রয় গড়ার চেষ্টা করছে।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে জেরিকোর কাছে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় একই পরিবারের পাঁচজন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি নূর শামস শরণার্থী শিবিরের ২৫টি ভবন ভাঙার পরিকল্পনা নিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। এদিকে গাজায় যুদ্ধাপরাধ তদন্ত বন্ধে ইসরাইলের আবেদন নাকচ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। আদালত জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় সংঘটিত ঘটনাগুলো তদন্তের আওতায় থাকবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানার তদন্ত অব্যাহত থাকবে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক হামলা ও হামাস নেতা রাদ সাদের হত্যাকাণ্ড যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।