গাজার চিকিৎসকদের মতে, ইসরাইলি ড্রোন হামলায় পেরেক ভর্তি মিসাইল ব্যবহারে শিশুরা মারাত্মক আহত ও নিহত হচ্ছে। বিস্ফোরণে শরীরের ভেতরে পেরেক ঢুকে অভ্যন্তরীণ রক্তপাতের কারণে মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে। চিকিৎসকরা প্রাণ রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ৪০ দিনে ড্রোন হামলার মাত্রা বেড়েছে, লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে জনবহুল এলাকা যেমন বাজার, পানি সংগ্রহের লাইন এবং খাবার বিতরণ পয়েন্ট। এসব ঘটনা ইসরাইলের প্রযুক্তিনির্ভর অস্ত্র ব্যবহারের দাবির বিপরীত চিত্র তুলে ধরছে।