Web Analytics

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র আট দিন বাকি থাকলেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনি প্রচারে ভারত ইস্যু নিয়ে কোনো অবস্থান নেয়নি। পূর্ববর্তী নির্বাচনে ভারত ইস্যু গুরুত্ব পেলেও এবার দুই দলই নীরব। বিএনপি নেতারা মন্তব্য করতে রাজি হননি, আর জামায়াত জানিয়েছে তারা ভারতসহ সব দেশের সঙ্গে সমমর্যাদার সম্পর্ক চায়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এই নীরবতাকে দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেছেন এবং সতর্ক করেছেন যে ভবিষ্যৎ সরকারকে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক ব্যবস্থাপনায় বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই দলই ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্যে ভারতকে অসন্তুষ্ট করতে চায় না। ভারতীয় থিংকট্যাংক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা মনে করছেন, ভারতবিরোধী বক্তব্য না থাকা দিল্লির জন্য স্বস্তিদায়ক। প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ভারত বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে নানা তৎপরতা চালাচ্ছে এবং নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। বিশ্লেষকরা বলেছেন, নির্বাচনের পর নতুন সরকারকে ভারতীয় চাপ মোকাবিলা করে সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে।

এছাড়া কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের পর গঙ্গার পানিচুক্তি, সীমান্ত নিরাপত্তা ও ট্রানজিট ইস্যুতে দিল্লি ঢাকার ওপর চাপ বাড়াতে পারে।

Card image

Related Social Media Discussion

logo
No data found yet!