জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে তিনদিন আলোচনা হবে এবং তারা জুলাইয়ের মধ্যে একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চায়, যা হবে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে শহীদদের প্রতি দায়িত্ব পালনের পদক্ষেপ। আলোচ্যসূচিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা, প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন, জনগণ সংলাপের দিকে নজর রাখছে এবং দ্রুত অগ্রগতি প্রত্যাশা করছে। রাজনৈতিক দলগুলো আন্তরিকভাবে সংস্কার প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছে। ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্যে তারা কাজ করছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যেমন প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও জরুরি অবস্থা নিয়ে সমাধান করতে চায়।