অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জুনে দ্বিতীয় দফায় আলোচনা শুরু করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এর মধ্য দিয়েই ‘জাতীয় সনদ’ তৈরি সম্ভব। তিনি বলেন, ঐকমত্য কমিশনের দায়িত্ব হল রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো এবং একটি ‘জাতীয় সনদ’ প্রণয়ন করা। আরো বলেন, আমরা আশা করি রাজনৈতিক দলগুলো যেহেতু সংস্কার প্রস্তাবের ব্যাপারে অকুণ্ঠ চিত্তে সমর্থন জানিয়েছেন, তাদের যে কমিটমেন্ট সেটা প্রকাশ করেছে। আমরা মনে করি যে বাস্তবায়নের একটা পথ তারা নির্ধারণ করতে পারবে।’ আলী রীয়াজ বলেন, বাস্তবায়নের বিষয়টি ঐকমত্য কমিশনের সীমাবদ্ধতা। এর সিদ্ধান্ত নেবে অন্তবর্তীকালীন সরকার এবং সংশ্লিষ্টরা!