বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল ঘোষণা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর্থিক সংকট ও নির্বাচনের প্রস্তুতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পে-কমিশনকে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং একটি কাঠামো তৈরি করে পরবর্তী সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে কমিশনের চূড়ান্ত সভা ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা, যেখানে সুপারিশ চূড়ান্ত করে প্রধান উপদেষ্টা ও অর্থ উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হবে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নবম পে-স্কেল নির্ধারণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বেতনের অনুপাত হিসেবে ১:৮, ১:১০ ও ১:১২ প্রস্তাব করা হলেও ১:৮ অনুপাত চূড়ান্ত হয়েছে। সর্বনিম্ন বেতন ১৬ হাজার থেকে ২১ হাজার টাকার মধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে। ২৩ সদস্যের জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫ গত ২৭ জুলাই গঠিত হয়েছিল, যার মেয়াদ ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি শেষ হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
অন্তর্বর্তী সরকার সুপারিশ চূড়ান্ত করলেও বাস্তবায়নের দায়িত্ব নির্বাচিত সরকারের ওপর থাকবে। ততদিন সরকারি কর্মচারীরা প্রচলিত নিয়মে মহার্ঘ ভাতা পেতে থাকবেন।