রাশিয়া ও ন্যাটো-র উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে ফ্রান্স হাসপাতালগুলোকে ২০২৬ সালের মধ্যে বড় ধরনের জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশনায় চিকিৎসা সরঞ্জাম, জনবল এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। জার্মানি, ইতালি ও স্পেনসহ অন্যান্য ইউরোপীয় দেশও সীমান্ত নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা শক্তিশালী করছে। বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে বলছেন, তাই স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও নাগরিক সেবায় সতর্কতা জরুরি। স্বাস্থ্য মন্ত্রী ক্যাথরিন ভাউট্রিন এটিকে কৌশলগত প্রস্তুতির অংশ বলে উল্লেখ করেছেন।