মার্কিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম বলেছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ‘চলে যাওয়া দরকার’, যা কারাকাসে নেতৃত্ব পরিবর্তনের লক্ষ্যে ওয়াশিংটনের অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করেছে। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেলবাহী জাহাজ আটকানোর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র শুধু জাহাজ থামাচ্ছে না, বরং মাদুরোর অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকে বার্তা দিচ্ছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলাগামী নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেলবাহী জাহাজের ওপর অবরোধ ঘোষণা করেন। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে দুটি জাহাজ জব্দ করেছে এবং আরেকটির পিছু নিয়েছে। ওয়াশিংটন মাদুরোর বিরুদ্ধে ‘কার্টেল অব দ্য সানস’-এর নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ এনে তাকে ‘নার্কো-সন্ত্রাসী সংগঠনের’ প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মাদুরোকে গ্রেপ্তারে সহায়তাকারী তথ্যের জন্য ৫ কোটি ডলার পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছে।
ক্যারিবীয় সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো এবং কথিত মাদকবাহী নৌযানে হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে বিশেষজ্ঞরা। বিশ্লেষকদের মতে, এসব পদক্ষেপ মূলত মাদুরো সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ানোর কৌশল।