বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা বলেন, ৫ জুন শুরু হওয়া এই আন্দোলনে নারী শিক্ষার্থীদের ভূমিকাই ছিল সবচেয়ে সাহসী ও ঐতিহাসিক। ১৫ জুলাই রাতে শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের রাজাকারের নাতিপুতি বলার পর ক্যাম্পাস অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, পুলিশের হামলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে নারী শিক্ষার্থীরা শেষ পর্যন্ত অবস্থান করে। তিনি বর্ণনা করেন কিভাবে ছাত্রলীগ নারী আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়, তাদের হল থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করে, কিভাবে রাতের আঁধারে মিছিল ও অবস্থান চলে। নারীরা নেতৃত্ব দেয় হল মুক্ত অভিযানে, স্লোগান দেয়, কফিন বহন করে, এবং সাহসিকতায় আন্দোলনের মুখ হয়ে ওঠে। আন্দোলনের শেষদিকে সেনাপ্রধানের ভাষণ এবং গণজোয়ার আন্দোলনকে পূর্ণ বিপ্লবে রূপ দেয়। উমামা মনে করেন, এই আন্দোলনে নারীদের ঐতিহাসিক ভূমিকা নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি হয়ে থাকবে।